“ফসলের মাঠ বলে দেবে কুমিল্লার কোথায় শুরু আর কোথায় শেষ”। আয়তন বলে দিতে হবে না। কথাটির প্রবর্তক বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য কুমিল্লার সাবেক সাংসদ মরহুম অধ্যক্ষ আবুল কালাম মজুমদার। ১৯৪৫ সালের ২৫ আগস্ট কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নস্থ মেহেরকুল দৌলতপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সাত ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ষষ্ঠ। পেশায় একজন শিক্ষক হিসেবে অবহেলিত এ জনপদে শিক্ষার আলো ছড়াতে গড়ে তুলেছিলেন বহুগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মহান এ মানুষটি ১৯৯৪ সালের ৩১ অক্টোবর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পাড়ি জমান পরপারে।

আজ ৩১ অক্টোবর তাঁর মৃত্যুর ২৭ তম বছরে সমাধি স্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন লালমাই উপজেলা পরিষদ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, লালমাই প্রেস ক্লাব, লালমাই উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ, লালমাই উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ, কৃষকলীগ, ভূলইন উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, লালমাই ক্লাব, অধ্যক্ষ আবুল কালাম মজুমদার ফুটবল একাডেমি, লালমাই উপজেলা ক্লাব সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠন।
এ সময় অর্থমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব কে এম সিংহ রতন বলেন, বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির কারিগর আবুল কালাম মজুমদার তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে নিজ মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে শিক্ষা, সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিভাগে পড়াশোনা শেষ করে যোগ দেন শিক্ষকতায়। শিক্ষক থেকে ধীরে ধীরে হয়ে উঠলেন অধ্যক্ষ। এদেশের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে যোগ দিয়েছিলেন রাজনীতিতে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও কাজ করেছিলেন সফল সংগঠক হিসেবে। মরহুম অধ্যক্ষ আবুল কালাম মজুমদার এ এলাকার মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন চিরকাল।
পরে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের মধ্য দিয়ে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।