সূর্যের সাথে জগড়া হয়েছে সেলিম মিয়ার তাই সে দিনের বেলা ঘরের বাহির হয়না বহু দিন। বৃষ্টি দেখে রাগ অভিমান ভুলে গিয়ে ঘরের বাহির হয়ে দিব্যি কাজ শুরু করেছে কিন্তু হঠাৎ তাপদাহ সহ্য করতে না পেরে এই রোদে দাঁড়িয়ে তৃষ্ণা মেটাতে খাচ্ছে তালের শাঁস।
এই গরমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে তালের শাঁস খেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস পেলছে অনেকেই। গ্রাম থেকে শহর প্রতিটি বাজার মহল্লায় বিক্রি হচ্ছে তালের শাঁস। এই ব্যবসায় পু্ঁজি কম হওয়াতে ঝুঁকছে স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা। গ্রাম থেকে ছোট পিকাপভ্যানে বোঝাই করে শহরে কম খরচে নিয়ে আসা যায় বলে এই ব্যবসায় লাভজনক।
কুমিল্লায় আজকের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও অনুভূত হচ্ছে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে তাপদাহের অনুভূতি বেড়েছে অনেকগুন। এছাড়াও দেখা গেছে কোথাও কোথাও অলিতে গলিতে অনকেই রোদে ছায়া পেতে মাথার উপরে ছাতা মেলে হাঁটছে।
দীর্ঘ তাপদাহের পরে যখনি বৃষ্টির আগমন ঘটেছে তখনি মাটিতে নেমে এসেছে স্বস্তি প্রাণ খুজে পেয়েছে প্রাণী ও উদ্ভিদকূল। সুন্দর হয়ে উঠেছে পরিবেশ। প্রকৃতি যেন তার আপন মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। এই যেন চীর চেনা রূপ। শ্রমজীবি মানুষের মুখের হাঁসি দেখেছি, তাছাড়া, প্রকৃতির শান্তিময় রূপে আরামদায়ক হচ্ছে কঠোর পরিশ্রমের কাজও।
আব্দুর রশিদ নামক একজন তালের শাঁস বিক্রেতার কাছে জানতে পারি রবিবার সারাদিনের বিক্রি ভাল হয়েছে। একটি তালের শাঁস বিক্রি করছে ২০-৪০ টাকায়। এছাড়াও গত কয়েকদিনের তুলনায় তার বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুন বেশি।