এই যেন কুমিল্লা আরেক রূপ পানির নিচে তলিয়ে গেছে কুমিল্লা শহর।স্কুল-কলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়েছে পানি। পানির নিচে তলিয়ে গেছে নগরীর সড়কগুলো। এমন অবস্থায় জলজটে দুর্ভোগে পড়েন অফিস-আদালতে যাওয়া ব্যক্তিরা।
রবিবার ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত টানা কয়েক ঘন্টার ভারি বৃষ্টিতে হাঁটু ও কোমর পানির নিচে ডুবে যায়। কুমিল্লা মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড। পানি ঢুকে পড়ে শিক্ষাবোর্ডের আবাসিক এলাকাগুলোর বসবাসরত কর্মকর্তাদের বাসায়। এমন অবস্থায় পানি বন্দি হয়ে পড়া কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুছ সালাম নৌকায় চড়ে অফিসে আসেন।
পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া নগরীতে নৌকায় চড়ে অফিসে যাওয়া ছাড়া আর কোন পথ ছিলো না জানিয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুছ সালাম বলেন, সকালে বৃষ্টিতে শিক্ষাবোর্ডের চারপাশ হাঁটু পানির তলিয়ে গেছে। বোর্ডের আবাসিক এলাকায় কলেজ পরিদর্শকসহ কর্মকর্তাদের বাসার ভিতরে পানি প্রবেশ করেছে। আমার বাংলোর ভিতরেও পানি প্রবেশ করেছে। বোর্ডের ভিতরে কোথাও হাঁটু আবার কোথাও কোমর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জলজটে আটকা পড়েছি। মসজিদেও পানি ঢুকে পড়েছে। অফিসে আশার মতো কোন উপায় না পেয়ে পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত নৌকায় চড়ে অফিসে আসতে হয়েছে।
নৌকায় চড়ে অফিসে যাওয়ার নতুন অভিজ্ঞতা হলেও বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা চাই জলাবদ্ধতামুক্ত একটি সুন্দর কুমিল্লা শহর।