কুমিল্লার লালমাই উপজেলার মধ্যে ছিলনিয়া গ্রামে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সুমাইয়া আক্তার নামে এক তরুনি ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।
নিহত সুমাইয়া আক্তারের পৈতিক নিবাস চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রাম। নানার বাড়ি মধ্যে ছিলনিয়া গ্রামে থেকেই পড়ালেখা করতেন সুমাইয়া আক্তার।
দুই বছর আগে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় সুমাইয়া আক্তারকে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল লাকসাম উপজেলার খিলা রাজাপুর গ্রামের প্রবাসী কাউসার আলমের সাথে। বিয়ের পরেও রীতিমতো পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছিল সুমাইয়া। ছোট থেকে নানার বাড়ি ছিলোনিয়া গ্রামে থেকে পড়ালেখা করায়। ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার জন্য লালমাই উপজেলার হরিশ্চর ইউনিয়ন হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে এডমিট কার্ড ও নিয়ে গিয়েছিল।
আত্মহত্যার বিষয়ে কেউ স্পষ্ট কোন কিছুই বলতে পারছে না। মায়ের আকুতি হৃদয়কে হতভম্ব করে তোলে!
বিশ্লেষকদের মতে, বাল্যবিবাহ দেওয়ার ফলে এই সমস্ত ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটছে কেননা, নিহত সুমাইয়ার বিবাহের দুই বছর হলেও এখনো বয়স ১৭ বছর।
লালমাই থানা পুলিশ জানায় নিহত সুমাইয়া আক্তারের মরাদেহ ময়নাতদন্ত শেষে অভিভাবকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও একটি মামলা নেওয়া হয়েছে।