দক্ষিণ কুমিল্লার সবচেয়ে দীর্ঘতম বাজার হলো লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজার। কাঁক ডাকা ভোরবেলা থেকে এই বাজারে পণ্য বেচাকেনা শুরু হয়। বিখ্যাত এই বাজারের অনেক সুনামও রয়েছে তবে, এই বাজারে কুমিল্লার সবচেয়ে বড় দুধ বাজারও বসে। ভোর হতেই গ্রাম থেকে গাভীর দুধ নিয়ে আসেন বহু মানুষ। কিন্তু এইবার সেই দুধ কিনে প্রতারিত হয়েছেন রীনা আক্তার নামক একজন নারী। পেশায় তিনি একজন শিক্ষিকা। রবিবার সকালে সেই ভেজাল দুধ নিয়ে শিক্ষিকা হাজির হয়েছেন লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে।
২৮ মার্চ শনিবার ভোরবেলা বাগমারা বাজার থেকে ১৫ লিটার দুধ ক্রয় করে বাসায় নিয়ে গেলে দুধে ভেজাল আছে বুঝতে পেরে, সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ব্যবহৃত মোবাইলে বিষয়টি মেসেজের মাধ্যমে জানান তিনি।
মেসেজটি নজরে আসলে পরবর্তীতে ভেজাল দুধ নিয়ে উপজেলায় আসতে বলেন ইউএনও, আর তাই রবিবার (২৯ মার্চ) সকালে ভেজাল দুধ নিয়ে উপজেলায় হাজির হয়েছেন শিক্ষিকা।
এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ ফাহমিদা আফরোজ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মউল্যাহ, মৎস অফিসার হাবিবুর রহমান।
এই বিষয়ে উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ফাহমিদা আফরোজ বলেন, দুধে ক্যামিকেল রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য দুধ আমরা ল্যাবে পাঠাবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন,
গতকাল একজন শিক্ষিকা আমার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করেন যে ওনি যে দুধটা কিনেছেন বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর ওনার কাছে মনে হলো যে এটাকে ক্যামিকেল মেশানো আছে, পরবর্তীতে আমি ওনাকে বলি যে আপনি দুধগুলো নিয়ে উপজেলায় আসেন। আমি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে বিষয়টা খতিয়ে দেখবো। পরে আজকে তিনি এসেছেন দুধ গুলো আমরা নিয়েছি, ল্যাবে পাঠিয়ে দেখবো কোন প্রকার ক্যামিকেল আছে কিনা। পরবর্তীতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।