1. mamungazi2534@gmail.com : Gazi mamun : Gazi mamun
  2. info@jagolalmai.com : jagolalmai :
  3. shakilhossain768@gmail.com : Shakil Hossen : Shakil Hossen
  4. wp-maintenance-55798@jagolalmai.com : :
  5. wp-maintenance-89470@jagolalmai.com : :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুমিল্লার লালমাইয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অনুমোদনহীন ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা লালমাইয়ে লোটাস কামাল ও পাপ্পুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা আইফোন নিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর জঙ্গলে মিলল কুবির শিক্ষকের ১৩ বছরের ছেলের মরদেহ লালমাইয়ে সন্তানকে সাথে নিয়ে এতিমদের আহার করালেন ওসি শিক্ষার মানোন্নয়নে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এডহক কমিটির সভাপতির মতবিনিময় লালমাইয়ে মরা মুরগি বিক্রি: ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড লালমাইয়ে ২৪ ঘণ্টার যৌথ অভিযান: ৯ মাদকসেবী ও কারবারি কারাগারে ​ কুমিল্লায় সবজি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ছিনতাই: পুলিশি অভিযানে মূল ৩ অভিযুক্ত গ্রেফতার জামিরা মহিলা মাদরাসার কৃতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সংবর্ধনা শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথিতে লালমাইয়ে প্রীতি ও সম্প্রীতির বার্তা: বর্ণাঢ্য আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালন

অবশেষে বৃদ্ধাশ্রমেই আশ্রয় হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীন অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১২ মে, ২০২১
  • ৭৮২ বার পড়েছে

প্রবীন অধ্যাপক আবদুল আউয়ালের তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াছমিন আমেরিকা প্রবাসী।
বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান। ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জীবনে এত কিছু থাকার পরও আজ তার দু’চোখে অন্ধকার। থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।

দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে।
২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)। অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে।

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেছি। এরপর শিক্ষকতা। জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি।
২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছি। এর পর ছেলে-মেয়েরা আমার খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।

কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের। এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন? বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গালি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি।

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা অথচ আমাকে জানালও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি। কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি। অথচ অনেক গরিব, মূর্খ আছে যারা বাবা মাকে নিয়েই একসাথে থাকে।
তাহলে তারা কি আমাদের মতো মুখোশধারী শিক্ষিতের চেয়ে ভালো নয়? তাই উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও মনুষ্যত্ববোধটাও সবার শিক্ষাগ্রহন করা উচিৎ।

জাগো লালমাই ভিডিও গ্যালারি

আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট টি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2021 Jagolalmai.com
Theme Customized BY NewsFresh.Com