কুমিল্লায় তিন উপজেলায় রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত এক নারী সহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জেলার সদর দক্ষিণ, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন- কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার উত্তর মাঝিগাছা এলাকার রফিক, মনোহরগঞ্জ উপজেলার বান্দুয়াইন গ্রামের আয়ুব আলীর স্ত্রী কমলা বেগম ও নোয়াখালি লক্ষীপুর সদর এলাকার আলতাফ হোসেন।
তাদের মধ্যে আলতাফ লাকসামের প্রগতি ইন্সুরেন্সে চাকরি করতেন বলে জানা গেছে এবং রফিক পেশায় একজন অটোরিকশা (মিশুক) চালক।
সদর দক্ষিণ থানার এসআই জিয়া বলেন, রফিক নামক একজনের লাশ পেয়েছি সুরুত হাল করেছি এবং তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পারি রোববার রাতে অটোরিকশা (মিশুক) নিয়ে বের হয়েছে, তারপর আর বাসায় যায়নি। তবে, আমরা যখন তাকে উদ্ধার করি শরীরে কোন আগাতে চিহ্ন পাইনি। আমরা ধারনা করছি, হয়তো তাকে নেশা জাতীয় কোন কিছু খাওয়াইয়া পানিতে পেলে তিন চাকার মিশুকটা নিয়ে গেছে। এবং লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।
লাকসাম উপজেলার হোটেল ড্রিমল্যান্ড থেকে আলতাফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান, লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা।
এই বিষয়ে ওসি নাজনীন বলেন, আমরা গতকাল সকাল ৯টায় হোটেল ড্রিমল্যান্ড থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করি। শরীরে কোন আগাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সুরুত হাল শেষ হয়েছে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাবো। এবং তার পরিবার যে অভিযোগ দিবে আমরা নেবো।
এছাড়া মনোহরগঞ্জ উপজেলার বান্দুয়াইন গ্রামের সড়কের পাশ থেকে রোববার গভীর রাতে এক নারীর লাশ উদ্ধারের খবর জানিয়েছেন মনোহরগঞ্জ থানার ওসি বিপুল চন্দ দে।
এই বিষয়ে তিনি বলেন, রাতের বেলা আমরা লাশ উদ্ধার করে সুরুত হাল শেষে ময়নাতদন্ত জন্য পাঠিয়েছি। নিহতের শরীরে আমরা কোন জখন কিংবা আগাতে চিহ্ন পাইনি। এই জন্য অনুমান কিংবা সন্দেহ করতে পারছিনা কি ঘটেছে। আর মৃত ব্যক্তি ছেলে মেয়ে কিংবা আত্মীয় স্বজন যারা আছে তাদের ও সন্দেহ নেই কাহারো বিরুদ্ধে। এই কারনে মূলত বলা যাচ্ছে না কি ঘটনা ঘটেছে। আর তাই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বলা যাবে কি ঘটনা ঘটেছে।