পিতার মৃত্যুর পর মাও বিয়ে করে চলে গেলে শিশু শাফায়াত হোসেন সজিবকে মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে দায়িত্ব বার এসে পড়ে একমাত্র দাদার উপর। আর বহু কষ্ট করে নাতিকে মানুষ করতে এখনো পরিশ্রম করছে দাদা মীর হোসেন। বহু কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন নাতি শাফায়াত হোসেন সজিবকে তাও শেষ পর্যন্ত বলাৎকারের স্বীকার।
কুমিল্লার লালমাই উপজেলার তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় শিশু শাফায়াত হোসেন সজিব’কে বলাৎকার করা হয়েছে। এই নিয়ে বুধবার (৭ জানুয়ারি) লালমাই থানায় একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর দাদা মীর হোসেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশু সজিব’কে একের পর এক বলাৎকার করে আসছে মাদ্রাটির শিক্ষক ইব্রাহিম। কিন্তু এই বিষয়টি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অত্র মাদ্রাসার বড় হুজুর সাইফুল ইসলামকে বার বার জানানো হলেও কোন প্রকার কার্যকর ভুমিকা না রাখায় অপরাধের মাত্রা বাড়তে থাকে। এছাড়াও স্থানীয় কয়েকজন বলেন, অতীতেও এমন বহু ঘটনা ঘটেছে এই মাদ্রাসায় যা কোন প্রকার বিচারের আওয়াতায়ও আসেনি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী বলেন, তাহফিজুল কুরআনিল কারিম ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষক ইব্রাহিম আমার কাছে স্বীকার করেছে সে এই অন্যায় কাজ করেছে। এবং পরে আমি লালমাই থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে দিয়েছি।
লালমাই থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাহাফুজ বলেন, এই ঘটনায় আমরা মামলা নিয়েছি এবং অভিযুক্ত আসামীকে আদালতে পাঠিয়েছি।