কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলা ৩নং ভূলইন উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন ও দোয়া প্রত্যাশী ভূলইন উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সফল সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ এমরান কবির।
তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া তৃণমূলের একজন জনবান্ধন আওয়ামীলীগ নেতা। দলের সুসময় কিংবা দুঃসময়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা একজন কর্মীই বুঝবে তৃণমূলের চাহিদা, ব্যথা-বেদনা। ঠিক সে কারণেই আলোচনায় রয়েছেন তিনি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে আওয়ামীলীগের রাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। একজন সফল সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ। আওয়ামী লীগের রাজনীতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে বিভিন্ন সময় পাশে থেকে নিজেকে একজন জনবান্ধন নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্বসেরা অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এমপি’র নির্দেশনা অনুযায়ী ভূলইন উত্তর ইউনিয়ন পরিষদকে মাদকমুক্ত, উন্নত, সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে উপহার দিতে আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সমন্বয় রেখে জনগণের দোয়া ও সমর্থনে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।
তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়ন মূলক কাজে নিজ ও সরকারি অর্থায়নে সহযোগিতা সহ হতদরিদ্র মানুষের সেবা করার মাধ্যমে আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা করেছেন। ২৩ বছর বছর ধরে তিনি বৃহত্তর ভূলইন ও ভূলইন উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তাঁর বাবা তাজুল ইসলাম শিকারপুরী ছিলেন প্রয়াত নেতা সাবেক এমপি অধ্যক্ষ আবুল কালাম মজুমদারের রাজনৈতিক উপদেষ্টা, মাননীয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এমপি’র শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব, মাননীয় অর্থমন্ত্রীর বড় ভাই লালমাই উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল হামিদ বি.এ’র একান্ত সহচর। রাজনৈতিক জীবনে তাজুল ইসলাম শিকারপুরী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন কেন্দ্রীয় কাউন্সিলর। কুমিল্লা জেলা কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, লাকসাম থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, বৃহত্তর ভূলইন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ সময়। বর্তমানে লালমাই উপজেলা আওয়ামীলীগের ১ম ও প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে উনার গভীর যোগাযোগ ছিল। তিনি মুক্তিযুদ্ধের একজন সফল সংগঠক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুদ্ধে তাঁর গতি রোধ করতে পৈতৃক নিবাস (বাড়ি-ঘর) ৭ বার আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছিল তৎকালীন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা। উনার বাড়িতে গেলে এখনো পোঁড়া মাটি ও পোঁড়া টিনের অংশবিশেষ দেখতে পাওয়া যায়।
তাঁরই সুযোগ্য সন্তান এমরান কবির ছাত্রজীবন থেকেই বাবার আদর্শকে লালন করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত হওয়ার পর থেকে প্রতিটি গ্রাম, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত ও শক্তিশালী করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফলে প্রতিটি গ্রাম, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনের আমেজ শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই তাঁর পক্ষে শুরু হয়েছে প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণা।
ইউনিয়নবাসীর মতে- এমরান কবির একজন নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক, জন-দরদী, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের বন্ধু, করোনা মহামারী পরিস্থিতিতেও তিনি এলাকায় বিভিন্ন ত্রাণ ও আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। একজন নিঃস্বার্থ সমাজসেবক, ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ হিসেবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন তিনি।
৪নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন- এমরান কবির সাহেবের সাথে দশ বছর ইউপি সদস্য হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। কখনো কোনো কাজে উনার ভিতর লোভ-লালসা, হিংসা বা অহংকার দেখিনি। এমন জনপ্রতিনিধি প্রতিটি ইউনিয়নে দরকার।
একান্ত সাক্ষাৎকারে এমরান কবির দৈনিক সমাজকন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধিকে জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ও কুমিল্লার গণমানুষের নেতা বিশ্বের সেরা অর্থমন্ত্রী, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল এমপি মহোদয় যদি আমাকে আগামী ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেন তাহলে আমি আমার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিষ্ঠার সাথে এলাকা ও দেশের জন্য কাজ করে যাবো। নির্বাচনে জয়ী হলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে ইনশাআল্লাহ।