১৯৫৫ সালের ১০শে ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার ভূলইন দক্ষিণ ইউনিয়নের উপজেলার আমুয়া গ্রামের সম্ভ্যান্ত পরিবারে জন্মগ্রহ করেন মোঃ তৈয়ব আলী। রাজনৈতিক জীবনে তিনি একজন সফল সংগঠক হিসেবে এলাকায় বেশ ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছেন। দলের দু-সময়ে কখনো পিচনের দরজা দিয়ে পালিয়ে জাননি। সামনে থেকে সকল অপশক্তির বিরুদ্দে লড়াই করেছেন স্বাক্ষী এলাকার আওয়ামী পরিবারের নির্যাতিত কর্মীরা। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। দলীয় কাজে আপোষহীন ভাবে কাজ করেছেন সব সময়।
১৯৯২ সাল থেকে পরপর তিনবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক লাকসাম উপজেলার বৃহত্তর ভূলইন ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন বিভাজনের পরে দুই বার ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি, ২০১১ সালে আওয়ামীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করে জনগনের ভোটে বিজয়ী হউন। এবং দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যক্তি জীবনে দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ সুনামের সাথে পল্লী চিকিৎসক হিসেবেও জনপ্রিয়তা রয়েছে, তাছাড়া, নিজ হাতে প্রতিষ্ঠা করেছেন আমুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তার দেওয়া জমিতে স্থাপিত হয়েছে আমুয়া কমিউনিটি ক্লিনিক ১৯৯৭ সালে পরতি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পরে, ছোট শরীফপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিদুৎসাহী সদস্য হিসেবেও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য হিসেবে প্রতি মাসে এলাকার মানুষের দুঃখ দুর্দশার কথা উপস্থাপন করে থাকেন সভায়। এছাড়াও বর্তমানে উপজেলা পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন এর সভাপতি, ছোট শরীফপুর ডিগ্রী কলেজের গর্ভনিংবডির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লালমাই ক্লাবের সদস্য এবং লালমাই উপজেলা আ’লীগের প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
মাননীয় অর্থমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে আগামীদিনেও দলীয় নির্দেশনায় জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চান মোঃ তৈয়ব আলী।